হায়েজ অবস্থায় সহবাসের হুকুম

বা মাসিক অবস্থায় সহবাস করা হারাম কাজ। পবিত্র কোরআন ও হাদীসে নববীতে এ সম্পর্কে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা আছে । দলীল হিসেবে প্রথমে আপনাদের পবিত্র কুরআনের আয়াত দেখাচ্ছি।

মহান আল্লাহ তাআলা বলেন,

 وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْمَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَاءَ فِي الْمَحِيضِ وَلَا تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّىٰ يَطْهُرْنَ ۖ فَإِذَا تَطَهَّرْنَ فَأْتُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ أَمَرَكُمُ الله إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ

আর তােমার কাছে জিজ্ঞেস করে হায়েয (ঋতু) সম্পর্কে বলে দাও, এটা অশুচি। সুতরাং তোমরা হায়েয অবস্থায় স্ত্রী-সহবাস থেকে বিরত থাক। তখন পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হবে না, যতক্ষণ না তারা পবিত্র হয়ে যায়। যখন উত্তম রূপে পরিশুদ্ধ হয়ে যাবে, তখন গমন কর তাদের কাছে, যেভাবে আল্লাহ তােমাদেরকে হুকুম দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং অপবিত্রতা থেকে যারা বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন। (আল বাকারা : ২২২)

উক্ত আয়াতে স্পষ্ট করে হায়েজ অবস্থায় সহবাস করা নিষেধ করা হয়েছে। স্ত্রী পবিত্র হওয়া পর্যন্ত সহবাস করতে নিষেধ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে হাদীসের নির্দেশনা থাকায় উক্ত বিধানটি দলীলের ক্ষেত্রে আরো মজবুত হয়েছে। এবার হাদীসটি দেখুন।

وَعَن أَبِي هُرَيرَةَ رَضِيَ الله عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى الله عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : مَنْ أَتَى حَائِضًا أَوِ امْرَأَةً فِي دُبُرِهَا أَوْ كَاهِنًا فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক ঋতুবতী অবস্থায় যৌনসঙ্গম করেছে অথবা কোন স্ত্রীলোকের মলদ্বার দিয়ে যৌনসঙ্গম করেছে অথবা কোন গণকের কাছে গিয়েছে, সে লোক মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তার প্রতি অবিশ্বাস করেছে। ( সুনানে ইবনে মাজাহ : ৬৩৯, মুসনাদে আহমাদ : ৯২৯০)

হাদীসটিতে তিনটি বিষয়ের ভয়াবহতা বর্ণনা করা হয়েছে।

১. হায়েজ বা মাসিক অবস্থায় সহবাস

২. পিছনের রাস্তা দিয়ে সহবাস

৩. গণকের কাছে যাওয়া।

রোজা ভঙ্গের কারন

হাফেজী কুরআন শরীফ

তাই শরীয়তের বিধানের পাশাপাশি আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি মতেও ঐ সময় সহবাস থেকে বিরত থাকা উচিত।