যাকাত সম্পর্কিত আয়াত

যাকাত হলো ইসলাম ধর্মের পঞ্চস্তম্ভের একটি। প্রত্যেক স্বাধীন, পূর্ণবয়স্ক মুসলমান নারী-পুরুষকে প্রতি বছর স্বীয় আয় ও সম্পত্তির একটি নির্দিষ্ট অংশ, যদি তা ইসলামী শরিয়ত নির্ধারিত সীমা (নিসাব পরিমাণ) অতিক্রম করে তবে, গরীব-দুঃস্থদের মধ্যে বিতরণের পদ্ধতিকে যাকাত বলে। নিম্নে সকল যাকাত সম্পর্কিত আয়াত উল্লেখ করা হলো,

যাকাত সম্পর্কিত আয়াত সমূহ

 اِنَّمَا الصَّدَقٰتُ لِلۡفُقَرَآءِ وَ الۡمَسٰکِیۡنِ وَ الۡعٰمِلِیۡنَ عَلَیۡهَا وَ الۡمُؤَلَّفَۃِ قُلُوبُهُم وَ فِی الرِّقَابِ وَ الۡغٰرِمِیۡنَ وَ فِی سَبِیلِ اللّٰهِ وَ ابۡنِ السَّبِیۡلِ فَرِیۡضَۃً مِّنَ اللّٰهِ وَ اللّٰهُ عَلِیۡمٌ حَکِیۡمٌ ۝

নিশ্চয়ই সদকা হচ্ছে ফফির ও মিসকিনদের জন্য এবং তাতে নিয়োজিত কর্মচারিদের জন্য, আর যাদের অন্তর (দ্বীনের দিকে) আকৃষ্ট করতে হয় তাদের জন্য, (তা ব্যায় করা যায়) দাস-দাসী আজাদ করার জন্য, ঋণগ্রস্তদের মাঝে (যেনো সে ঋণ সুদ করতে পারে), আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদের জন্য) এবং মুসাফিরদের জন্য। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত বিধান, আর আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। -(সূরা তাওবাহ্ : ৬০)

وَ هُوَ الَّذِیۡۤ اَنۡشَاَ جَنّٰتٍ مَّعۡرُوۡشٰتٍ وَّ غَیۡرَ مَعۡرُوۡشٰتٍ وَّ النَّخۡلَ وَ الزَّرعَ مُخۡتَلِفًا اُکُلُه وَ الزَّیۡتُونَ وَ الرُّمَّانَ مُتَشَابِهًا وَّ غَیۡرَ مُتَشَابِهٍ کُلُوۡا مِن ثَمَرِه اِذَاۤ اَثۡمَرَ وَ اٰتُوۡا حَقَّه یَوۡمَ حَصَادِه وَ لَا تُسرِفُوا اِنَّه لَا یُحِبُّ الۡمُسرِفِیۡنَ ۝

আর তিনি (আল্লাহ) যিনি লতা বিশিষ্ট আর লতা-বিশিষ্ট নয় এমন বাগান, খেজুরগাছ ও বিভিন্ন স্বাদের খাদ্য-শস্য, একই ধরনের এবং আলাদা ধরনের যায়তুন আর ডালিম সৃষ্টি করেছেন। যখন ফল ধরে তখন খাও আর ফসল তোলার দিন (নির্ধারণকৃত ওশর ও অনির্ধারিত দান কর) হক আদায় কর, অপচয় কর না, নিশ্চয় তিনি (আল্লাহ) অপচয়কারীদেরকে পছন্দ করেন না। (সূরা আনআম : ১৪১)

وَ اَقِیمُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتُوا الزَّکٰوۃَ وَ ارکَعُوا مَعَ الرّٰکِعِیۡنَ ۝

আর তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং রুকূকারীদের সাথে রুকূ কর। (সূরা বাকারা : ৪৩)

وَ اَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتُوا الزَّکٰوۃَ وَ مَا تُقَدِّمُوا لِاَنۡفُسِکُمۡ مِّن خَیرٍ تَجِدُوهُ عِنۡدَ اللّٰهِ اِنَّ اللّٰهَ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ بَصِیۡرٌ ۝

আর তোমরা সালাত কায়েম কর ও যাকাত দাও এবং যে নেক আমল তোমরা নিজদের জন্য আগে পাঠাবে, তা আল্লাহর নিকট পাবে। তোমরা যা করছ নিশ্চয় আল্লাহ তার সম্যক দ্রষ্টা। (সূরা বাকারা : ১১০)

 وَ اِذۡ اَخَذۡنَا مِیۡثَاقَ بَنِیۡۤ اِسۡرَآءِیۡلَ لَا تَعۡبُدُوۡنَ اِلَّا اللّٰهَ وَ بِالۡوَالِدَیۡنِ اِحۡسَانًا وَّ ذِی ‌الۡقُرۡبٰی وَ الۡیَتٰمٰی وَ الۡمَسٰکِیۡنِ وَ قُولُوا لِلنَّاسِ حُسۡنًا وَّ اَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتُوا الزَّکٰوۃَ ثُمَّ تَوَلَّیۡتُمۡ اِلَّا قَلِیۡلًا مِّنکُم وَ اَنۡتُم مُّعۡرِضُوۡنَ ۝

আর (হে নবী ) স্মরণ করুন, যখন আমি বনি ইসরাঈলের অঙ্গীকার মেনে নিলাম যে, তোমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদাত করো না এবং ভালো ব্যবহার করো মাতা-পিতা, আত্মীয়-স্বজন, ইয়াতীম এবং মিসকীনদের সাথে। আর মানুষকে ভালো কথা বলো, নামাজ কায়েম করো এবং যাকাত আদায় করো। অতঃপর তোমাদের মধ্য থেকে স্বল্প সংখ্যক ছাড়া তোমরা সকলে উপেক্ষা করে মুখ ফিরিয়ে নিলে।(সূরা বাকারা : ৮৩).

হজ্জ সম্পর্কে আয়াত ও হাদিস

  لَیۡسَ الۡبِرَّ اَنۡ تُوَلُّوۡا وُجُوۡهَکُمۡ قِبَلَ الۡمَشۡرِقِ وَ الۡمَغۡرِبِ وَ لٰکِنَّ الۡبِرَّ مَنۡ اٰمَنَ بِاللّٰهِ وَ الۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ وَ الۡمَلٰٓئِکَۃِ وَ الۡکِتٰبِ وَ النَّبِیّٖنَ وَ اٰتَی الۡمَالَ عَلٰی حُبِّهٖ ذَوِی الۡقُرۡبٰی وَ الۡیَتٰمٰی وَ الۡمَسٰکِیۡنَ وَ ابۡنَ السَّبِیۡلِ وَ السَّآئِلِیۡنَ وَ فِی الرِّقَابِ وَ اَقَامَ الصَّلٰوۃَ وَ اٰتَی الزَّکٰوۃَ وَ الۡمُوۡفُوۡنَ بِعَهۡدِهِمۡ اِذَا عٰهَدُوۡا وَ الصّٰبِرِیۡنَ فِی الۡبَاۡسَآءِ وَ الضَّرَّآءِ وَ حِیۡنَ الۡبَاۡسِ اُولٰٓئِکَ الَّذِیۡنَ صَدَقُوۡا وَ اُولٰٓئِکَ هُمُ الۡمُتَّقُوۡنَ ۝

এটা কোন ভালো কাজ নয় যে, তোমরা তোমাদের চেহারা পূর্ব আর পশ্চিম দিকে ঘুরাবে; বরং ভালো কাজতো হলো যে ঈমান আনয়ন করে আল্লাহর প্রতি, শেষ দিনের প্রতি, ফেরেশতাগণনের প্রতি, কিতাব ও নবীগণের প্রতি আর যে সম্পদ দেওয়া হয়েছে তার প্রতি মুহাব্বত থাকা সত্ত্বেও নিকটাত্মীয়গণ, ইয়াতীম, অসহায়, মুসাফির ও প্রার্থনাকারী এবং বন্দিমুক্তি করতে এবং যে সালাত কায়েম করে, যাকাত প্রদান করে এবং যা অঙ্গীকার করে তা পূর্ণ করে, যারা ধৈর্যধারণ করে কষ্ট, দুর্দশায় ও যুদ্ধের সময়ে। তারাই সত্যবাদী এবং তারাই মুত্তাকী।(সূরা বাকারা :১৭৭)

 اِنَّ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَ اَقَامُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتَوُا الزَّکٰوۃَ لَهُمۡ اَجۡرُهُمۡ عِنۡدَ رَبِّهِمۡ وَ لَا خَوۡفٌ عَلَیۡهِم وَ لَا هُمۡ یَحۡزَنُوۡنَ ۝

নিশ্চয় যারা ঈমান আনয়ন করে, ভালো কাজ করে ও সালাত প্রতিষ্ঠা করে, আর যাকাত আদায় করে, তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে রয়েছে প্রতিদান আর তাদের জন্য কোন ভয় নেই এবং তাদের কোন চিন্তা নেই।  (সুরা বাকারা : ২৭৭)

 اَلَمۡ تَرَ اِلَی الَّذِیۡنَ قِیۡلَ لَهُم کُفُّوۡۤا اَیۡدِیَکُم وَ اَقِیمُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتُوا الزَّکٰوۃَ فَلَمَّا کُتِبَ عَلَیۡهِمُ الۡقِتَالُ اِذَا فَرِیۡقٌ مِّنۡهُمۡ یَخۡشَونَ النَّاسَ کَخَشۡیَۃِ اللّٰهِ اَو اَشَدَّ خَشۡیَۃً وَ قالُوا رَبَّنَا لِمَ کَتَبۡتَ عَلَیۡنَا الۡقِتَالَ لَو لَاۤ اَخَّرۡتَنَاۤ اِلٰۤی اَجَلٍ قَرِیۡبٍ قُل مَتَاعُ الدُّنۡیَا قَلِیلٌ وَ الۡاٰخِرَۃُ خَیۡرٌ لِّمَنِ اتَّقٰی وَ لَا تُظۡلَمُوۡنَ فَتِیۡلًا

আপনি কি তাদের দিকে খেয়াল করেন নি যাদেরকে বলা হয়েছিল, তোমরা তোমাদের হাত গুটিয়ে নাও, সালাত কায়েম কর ও যাকাত প্রদান করো? এরপর যখন তাদের উপর যখন লড়াই ফরয করা হলো, তখন তাদের মধ্যে কিছু লোক মানুষকে ভয় করতে লাগলো আল্লাহকে ভয় করার অনুরূপ কিংবা তার চেয়ে বেশি ভয়। আর বলল: হে আমাদের রব! আপনি আমাদের উপর লড়াই ফরজ করলেন কেন? আমাদেরকে কেন আরো কিছুসময় অবকাশ দিলেন না? বল: দুনিয়ার সুখ সামান্য। আর যে তাকওয়া অবলম্বন করে তার জন্য আখিরাত উত্তম। আর তোমাদের প্রতি সূতা পরিমাণ যুলমও করা হবে না।(সূরা নিসা : ৭৭)

لٰکِنِ الرّٰسِخُوۡنَ فِی الۡعِلۡمِ مِنۡهُمۡ وَ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ یُؤۡمِنُوۡنَ بِمَاۤ اُنۡزِلَ اِلَیۡکَ وَ مَاۤ اُنۡزِلَ مِنۡ قَبۡلِکَ وَ الۡمُقِیۡمِیۡنَ الصَّلٰوۃَ وَ الۡمُؤۡتُوۡنَ الزَّکٰوۃَ وَ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ بِاللّٰهِ وَ الۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ ؕ اُولٰٓئِکَ سَنُؤۡتِیۡهِمۡ اَجۡرًا عَظِیۡمًا ۝

কিন্তু তাদের মাঝে যারা জ্ঞানী ও মুমিনগণ, যারা আপনার প্রতি যা নাযিল হয়েছে এবং যা নাযিল হয়েছে আপনার পূর্বে, তাতে ঈমান আনে। আর যারা সালাত কায়েমকারী ও যাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান আনয়নকারী, তাদেরকে অচিরেই আমি মহাপুরস্কার প্রদান করব। (সুরা নিসা : ১৬২)

 وَ لَقَدۡ اَخَذَ اللّٰهُ مِیۡثَاقَ بَنِی اِسۡرَآءِیلَ وَ بَعَثۡنَا مِنۡهُمُ اثۡنَیۡ عَشَرَ نَقِیۡبًا وَ قَالَ اللّٰهُ اِنِّی مَعَکُم لَئِنۡ اَقَمۡتُمُ الصَّلٰوۃَ وَ اٰتَیۡتُمُ الزَّکٰوۃَ وَ اٰمَنۡتُمۡ بِرُسُلِیۡ وَ عَزَّرۡتُمُوۡهُمۡ وَ اَقۡرَضۡتُمُ اللّٰهَ قَرضًا حَسَنًا لَّاُکَفِّرَنَّ عَنۡکُمۡ سَیِّاٰتِکُمۡ وَ لَاُدۡخِلَنَّکُمۡ جَنّٰتٍ تَجۡرِیۡ مِنۡ تَحۡتِهَا الۡاَنۡهٰرُ فَمَنۡ کَفَرَ بَعدَ ذٰلِکَ مِنکُمۡ فَقَدۡ ضَلَّ سَوَآءَ السَّبِیۡلِ ۝

আর অবশ্যই আল্লাহ বনি ইসরাইলের অঙ্গিকার গ্রহণ করেছিলেন আর আমি তাদের থেকে বারজন দলনেতা প্রেরণ করেছিলাম এবং আল্লাহ তাআলা বলেছিলেন: নিশ্চয় আমি তোমাদের সাথে আছি। যদি তোমরা সালাত প্রতিষ্ঠা করো, যাকাত প্রদান করো, আমার রাসূলদের প্রতি ঈমান আনো, তাদেরকে সহযোগিতা করো এবং আল্লাহকে উত্তম ঋণ প্রদান করো, তবে নিশ্চয় আমি তোমাদের থেকে তোমাদের গুনাহসমূহ মাফ করে দিবো। আর অবশ্যই আমি তোমাদেরকে প্রবেশ করাব জান্নাতসমূহে, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত হবে নদীসমুহ। তোমাদের মধ্যে এরপরও যারা কুফরী করেছে, সে অবশ্যই সোজা পথ থেকে সরে গেছে।  -(সূরা মায়েদা : ১২)

ফরজ গোসলের নিয়ম ও দোয়া

اِنَّمَا وَلِیُّکُمُ اللّٰهُ وَ رَسُولُ وَ الَّذِینَ اٰمَنُوا الَّذِیۡنَ یُقِیۡمُوۡنَ الصَّلٰوۃَ وَ یُؤتُونَ الزَّکٰوۃَ وَ هُمۡ رٰکِعُوۡنَ ۝

তোমাদের বন্ধু কেবল আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও মুমিনগণ, যারা সালাত কায়েম করে এবং যাকাত প্রদান করে বিনীত হয়ে।  (সূরা মায়েদা : ৫৫)

 وَ اکۡتُبۡ لَنَا فِیۡ هٰذِهِ الدُّنۡیَا حَسَنَۃً وَّ فِی الۡاٰخِرَۃِ اِنَّا هُدۡنَاۤ اِلَیۡکَ قَالَ عَذَابِی اُصِیۡبُ بِه مَن اَشَآءُ وَ رَحۡمَتِیۡ وَسِعَتۡ کُلَّ شَیۡءٍ فَسَاَکۡتُبُهَا لِلَّذِیۡنَ یَتَّقُونَ وَ یُؤۡتُوۡنَ الزَّکٰوۃَ وَ الَّذِیۡنَ هُمۡ بِاٰیٰتِنَا یُؤمِنُوۡنَ ۝

আর আমাদের জন্য দুনিয়াতে এবং আখিরাতে মঙ্গল লিখে দিন। নিশ্চয়ই আমরা আপনার দিকে ফিরবো। তিনি বললেন, আমি যাকে চাবো তাকে আমার আজাব দেই। আর আমার রহমত সব বস্তুকে পরিবেষ্টন করে রেখেছে। সুতরাং আমি তা লিখে রাখবো তাদের জন্য যারা তাকওয়া অবলম্বন করে থাকে এবং যাকাত প্রদান করে থাকে। এবং যারা আমার আয়াতসমূহের প্রতি ঈমান আনে।  -(সূরা আল আরাফ : ১৫৬)

فَاِذَا انسَلَخَ الۡاَشهُرُ الۡحُرُمُ فَاقتُلُوا المُشرِکِینَ حَیۡثُ وَجَدۡتُّمُوۡهُم وَ خُذُوۡهُمۡ وَ احۡصُرُوهُمۡ وَ اقۡعُدُوا لَهُمۡ کُلَّ مَرۡصَدٍ فَاِنۡ تَابُوا وَ اَقَامُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتَوُا الزَّکٰوۃَ فَخَلُّوا سَبِیۡلَهُم اِنَّ اللّٰهَ غَفُورٌ رَّحِیۡمٌ ۝

অতঃপর যখন নিষিদ্ধ মাসগুলো অতিবাহিত হয়ে যাবে, তখন তোমরা মুশরিকদেরকে যেখানেই পাও হত্যা কর এবং তাদেরকে পাকড়াও কর, তাদেরকে অবরোধ কর এবং তাদের জন্য প্রতিটি ঘাঁটিতে বসে থাক। তবে যদি তারা তাওবা করে এবং সালাত কায়েম করে, আর যাকাত দেয়, তাহলে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা তাওবা : ৫)

 فَاِن تَابُوا وَ اَقَامُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتَوُا الزَّکٰوۃَ فَاِخۡوَانُکُمۡ فِی الدِّیۡنِ وَ نُفَصِّلُ الۡاٰیٰتِ لِقَوۡمٍ یَّعلَمُونَ ۝

অতএব যদি তারা তাওবা করে, সালাত কায়েম করে এবং যাকাত প্রদান করে, তবে দীনের মধ্যে তারা তোমাদের ভাই। আর আমি আয়াতসমূহ যথাযথভাবে বর্ণনা করি এমন কওমের জন্য যারা জানে। (সূরা তাওবা : ১১)

اِنَّمَا یَعمُرُ مَسٰجِدَ اللّٰهِ مَن اٰمَنَ بِاللّٰهِ وَ الۡیَومِ الۡاٰخِرِ وَ اَقَامَ الصَّلٰوۃَ وَ اٰتَی الزَّکٰوۃَ وَ لَم یَخشَ اِلَّا اللّٰهَ فَعَسٰۤی اُولٰئِکَ اَن یَّکُوۡنُوا مِنَ الۡمُهۡتَدِیۡنَ ۝

শুধুমাত্র তারাই আল্লাহর মসজিদগুলোকে আবা’দ করে, যারা আল্লাহ এবং শেষ বিদবেস প্রতি ঈমান আনয়ন করে, সালাত কায়েম করে, যাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করে না। আশা করা যায়, ওরা হিদায়াতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা আত-তাওবা : ১৮)

 وَالۡمُؤمِنُونَ وَ الۡمُؤمِنٰتُ بَعۡضُهُمۡ اَوۡلِیَآءُ بَعۡضٍ یَاۡمُرُونَ بِالۡمَعۡرُوۡفِ وَ یَنۡهَوۡنَ عَنِ الۡمُنۡکَرِ وَ یُقِیۡمُونَ الصَّلٰوۃَ وَ یُؤۡتُوۡنَ الزَّکٰوۃَ وَ یُطِیۡعُوۡنَ اللّٰهَ وَ رَسُوۡلَه اُولٰٓئِکَ سَیَرۡحَمُهُمُ الله اِنَّ الله عَزِیزٌ حَکِیۡمٌ۝

আর মুমিন নারী-পুরুষ একে অপরের বন্ধু, তারা (মানুষকে) ভালো কাজের আদেশ দেয় ও অন্যায় কাজ থেকে বাধা প্রদান করে, আর তারা সালাত কায়িম করে, যাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে। এদেরকে আল্লাহ শীঘ্রই দয়া করবেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। -(সূরা আত-তাওবা : ৭১)

 فَاَرَدنَاۤ اَن یُّبدِلَهُمَا رَبُّهُمَا خَیرًا مِّنهُ زَکٰوۃً وَّ اَقرَبَ رُحۡمًا ۝

 ‘তাই আমি চাইলাম, তাদের রব তাদেরকে তার পরিবর্তে এমন সন্তান দান করবেন, যে হবে তার চেয়ে পবিত্রতায় উত্তম এবং দয়ামায়ায় অধিক ঘনিষ্ঠ। (সূরা কাহাফ : ৮১)

 وَّ حَنَانًا مِّن لَّدُنَّا وَ زَکٰوۃً وَ کَان تَقِیًّا ۝

আর আমার পক্ষ থেকে তাকে স্নেহ-মমতা ও পবিত্রতা দান করেছি এবং সে মুত্তাকী ছিল।  (মারইয়াম : ১৩)

 وَّ جَعَلَنِیۡ مُبٰرَکًا اَینَ مَا کُنتُ وَ اَوصٰنِی بِالصَّلٰوۃِ وَ الزَّکٰوۃِ مَا دُمتُ حَیًّا ۝

‘আর যেখানেই আমি থাকি না কেন তিনি আমাকে বরকতময় করেছেন এবং যতদিন আমি জীবিত থাকি তিনি আমাকে সালাত ও যাকাত আদায় করতে আদেশ করেছেন’।(মারইয়াম : ৩১)

 وَ کَانَ یَاۡمُرُ اَهۡلَه بِالصَّلٰوۃِ وَ الزَّکٰوۃِ ۪ وَ کَانَ عِنۡدَ رَبِّه مَرۡضِیًّا ۝

আর সে তার পরিবার-পরিজনকে সালাত ও যাকাতের নির্দেশ দিত এবং সে ছিল তার রবের সন্তোষপ্রাপ্ত।(সূরা মারইয়াম : ৫৫)

 وَ جَعَلۡنهُم اَئِمَّۃً یَّهدُونَ بِاَمرِنَا وَ اَوۡحَیۡنَاۤ اِلَیۡهِمۡ فِعلَ الۡخَیۡرٰتِ وَ اِقَامَ الصَّلٰوۃِ وَ اِیۡتَآءَ الزَّکٰوۃِ وَ کَانُوا لَنَا عٰبِدِیۡنَ۝

আর তাদেরকে আমি নেতা বানিয়েছিলাম, তারা আমার নির্দেশ অনুসারে মানুষকে সঠিক পথ দেখাত। আমি তাদের প্রতি সৎকাজ করার, সালাত কায়েম করার এবং যাকাত প্রদান করার জন্য ওহী প্রেরণ করেছিলাম। আর তারা আমারই ইবাদাত করত।(আল-আম্মিয়া : ৭৩)

 اَلَّذِینَ اِن مَّکَّنّٰهُمۡ فِی الۡاَرۡضِ اَقَامُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتَوُا الزَّکٰوۃَ وَ اَمَرُوا بِالۡمَعرُوفِ وَ نَهَوا عَنِ الۡمُنۡکَرِ وَ لِلّٰهِ عَاقِبَۃُ الۡاُمُورِ ۝

তারা এমন যাদেরকে আমি যমীনে ক্ষমতা দান করলে তারা সালাত কায়েম করবে, যাকাত দেবে এবং সৎকাজের আদেশ দেবে ও অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে; আর সব কাজের পরিণাম আল্লাহরই অধিকারে। (সূরা হজ্জ : ৪১)

وَ جَاهِدُوا فِی اللهِ حَقَّ جِهَادِه هُوَ اجتَبٰىکُم وَ مَا جَعَلَ عَلَیۡکُمۡ فِی الدِّیۡنِ مِنۡ حَرَجٍ مِلَّۃَ اَبِیۡکُمۡ اِبۡرٰهِیۡمَ هُوَ سَمّٰىکُمُ الۡمُسۡلِمِیۡنَ مِن قَبۡلُ وَ فِی هٰذَا لِیَکُوۡنَ الرَّسُولُ شَهِیدًا عَلَیکُم وَ تَکُونُوا شُهَدَآءَ عَلَی النَّاسِ فَاَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتُوا الزَّکٰوۃَ وَ اعۡتَصِمُوۡا بِاللّٰهِ هُوَ مَولٰىکُم فَنِعۡمَ الۡمَوۡلٰی وَ نِعمَ النَّصِیۡرُ ۝

আর তোমরা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করো যেভাবে জিহাদ করা উচিৎ। তিনি তোমাদেরকে মনোনিত করেছেন। দ্বীনের ব্যাপারে তিনিই তোমাদের ওপর কোন কঠোরতা আরোপ করেননি। এটা তোমাদের পিতা ইবরাহিমের দ্বীন। তিনিই তোমাদের নাম রেখেছেন মুসলিম পূর্বে ও এ কিতাবেও। যাতে রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষী হয় আর তোমরা মানুষের জন্য সাক্ষী হও। অতএব তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহকে মজবুতভাবে ধর। তিনিই (আল্লাহ) তোমাদের অভিভাবক। আর তিনি (আল্লাহ) কতই না উত্তম অভিভাবক এবং কতই না উত্তম সাহায্যকারী। -(সূরা হজ্জ : ৭৮)

قَدۡ اَفۡلَحَ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ ﴿۱﴾  الَّذِیۡنَ هُمۡ فِی صَلَاتِهِمۡ خٰشِعُوۡنَ﴿۲﴾ وَ الَّذِیۡنَ هُم عَنِ اللَّغۡوِ مُعۡرِضُوۡنَ ﴿۳﴾  وَ الَّذِیۡنَ هُم لِلزَّکٰوۃِ فٰعِلُوۡنَ۝

(১) অবশ্যই মুমিনগণ সফল হয়েছে (২) যারা নিজদের সালাতে বিনয়াবনত (৩) আর যারা অনর্থক কথাকর্ম থেকে বিমুখ (৪) আর যারা যাকাতের ক্ষেত্রে সক্রিয়। (সূরা মুমিন : ১-৪)

رِجَالٌ لَّا تُلۡهِیۡهِمۡ تِجَارَۃٌ وَّ لَا بَیۡعٌ عَن ذِکۡرِ اللّٰهِ وَ اِقَامِ الصَّلٰوۃِ وَ اِیۡتَآءِ الزَّکٰوۃِ یَخَافُونَ یَومًا تَتَقَلَّبُ فِیهِ الۡقُلُوبُ وَ الۡاَبۡصَارُ ۝

সেসব লোক, যাদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর যিক্র, সালাত কায়েম করা ও যাকাত প্রদান করা থেকে বিরত রাখে না। তারা সেদিনকে ভয় করে, যেদিন অন্তর ও দৃষ্টিসমূহ উল্টে যাবে।(সূরা নূর : ৩৭)

وَ اَقِیمُوا الصَّلٰوۃَ و اٰتُوا الزَّکٰوۃَ وَ اَطِیعُوا الرَّسُولَ لَعَلَّکُم تُرحَمُوۡنَ ۝

আর তোমরা নামাজ প্রতিষ্ঠা কর, যাকাত আদায় করো এবং রাসূলের অনুষরণ করো, যাতে তোমরা রহমতপ্রাপ্ত হতে পারো। -(সূরা নূর : ৫৬)

الَّذِینَ یُقِیمُونَ الصَّلٰوۃَ وَ یُؤتُونَ الزَّکٰوۃَ وَ هُم بِالۡاٰخِرَۃِ هُم یُوقِنُونَ ۝

যারা সালাত কায়েম করে এবং যাকাত দেয়। আর তারাই আখিরাতের প্রতি নিশ্চিত বিশ্বাস রাখে। (সূরা নামল : ৩)

হাফেজী কুরআন শরীফ

 وَ مَاۤ اٰتَیۡتُمۡ مِّنۡ رِّبًا لِّیَرۡبُوَا۠ فِیۡۤ اَموَالِ النَّاسِ فَلَا یَرۡبُوا عِندَ اللّٰهِ وَ مَاۤ اٰتَیۡتُمۡ مِّن زَکٰوۃٍ تُرِیۡدُوۡنَ وَجهَ اللّٰهِ فَاُولٰٓئِکَ هُمُ المُضعِفُوۡنَ ۝

আর তোমরা যে সূদ দিয়ে থাকো, মানুষের সম্পদ বৃদ্ধি হওয়ার জন্য তা মূলত আল্লাহর কাছে বৃদ্ধি পায় নি। আর তোমরা যে যাকাত দাও, আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে (তাহলে তা বৃদ্ধি পায়) এবং তারাই বহুগুণ সম্পদ প্রাপ্ত। -(সূরা আর-রুম : ৩৯)

 الَّذِینَ یُقِیۡمُونَ الصَّلٰوۃَ وَ یُؤۡتُونَ الزَّکٰوۃَ وَ هُم بِالۡاٰخِرَۃِ هُم یُوقِنُونَ ۝

যারা নামাজ কায়েম করে ও যাকাত আদায় করে, আর তারাই আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করে। (সূরা লুকমান : ৪)

 وَ قَرنَ فِی بُیُوۡتِکُنَّ وَ لَا تَبَرَّجۡنَ تَبَرُّجَ الۡجَاهِلِیَّۃِ الۡاُولٰی وَ اَقِمنَ الصَّلٰوۃَ وَ اٰتِیۡنَ الزَّکٰوۃَ وَ اَطِعنَ اللّٰهَ وَ رَسُولَه اِنَّمَا یُرِیدُ اللّٰهُ لِیُذهِبَ عَنکُمُ الرِّجۡسَ اَهلَ الۡبَیۡتِ وَ یُطَهِّرَکُم تَطۡهِیرًا ۝

আর তোমরা (নারীরা) নিজ বাড়িতে অবস্থান করো এবং জাহেলী যুগের মত (নিজের) সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না। আর তোমরা নামাজ কায়েম করো। যাকাত আদায় করো, আল্লাহ ও তার রাসূলের আনুগত্য করো। হে নবি পরিবার! আল্লাহ শুধু চান অপবিত্রতাকে তোমাদের থেকে দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে। -(আল আযহাব : ৩৩)

 الَّذِینَ لَا یُؤتُونَ الزَّکوۃَ وَ هُمۡ بِالۡاٰخِرَۃِ هُم کفِرُوۡنَ ۝

যারা যাকাত দেয় না। আর তারাই আখিরাতের অস্বীকারকারী। (হা-মীম আস-সাজদা : ৭)

 ءَاَشۡفَقۡتُم اَن تُقَدِّمُوا بَیۡنَ یَدَیۡ نَجۡوىکُمۡ صَدَقٰت فَاِذۡ لَمۡ تَفۡعَلُوا وَ تَابَ اللّٰهُ عَلَیۡکُمۡ فَاَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتُوا الزَّکٰوۃَ وَ اَطِیعُوا اللّٰهَ وَ رَسُولَ وَاللّٰهُ خَبِیۡر بِمَا تَعۡمَلُونَ ۝

তোমরা কি ভয় পাচ্ছো যে, একান্ত পরামর্শ পূর্বে সদকা আদায় করবে? হ্যাঁ যখন তোমরা তা করতে পারলে না। আর আল্লাহ তোমাদেরকে মাফ করে দিলেন, তখন তোমরা সালাত কায়েম করো, যাকাত আদায় করো আর আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের আনুগত্য করো। তোমরা যা করো, আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্পূর্ণরুপে অবগত। -(সূরা আল-মুজাদালা : ১৩)

إ اِنَّ رَبَّکَ یَعۡلَمُ اَنَّکَ تَقُومُ اَدۡنٰی مِنۡ ثُلُثَیِ الَّیۡلِ وَ نِصۡفَهٗ وَ ثُلُثَهٗ وَ طَآئِفَۃٌ مِّنَ الَّذِیۡنَ مَعَکَ وَ اللّٰهُ یُقَدِّرُ الَّیۡلَ وَ النَّهَارَ عَلِمَ اَنۡ لَّنۡ تُحۡصُوۡهُ فَتَابَ عَلَیۡکُمۡ فَاقۡرَءُوا مَا تَیَسَّرَ مِنَ الۡقُرۡاٰنِ عَلِمَ اَنۡ سَیَکُوۡنُ مِنۡکُمۡ مَّرۡضٰی وَ اٰخَرُوۡنَ یَضۡرِبُوۡنَ فِی الۡاَرۡضِ یَبۡتَغُوۡنَ مِنۡ فَضۡلِ اللّٰهِ وَ اٰخَرُوۡنَ یُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ ۫ۖ فَاقۡرَءُوا مَا تَیَسَّرَ مِنۡهُ وَ اَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتُوا الزَّکٰوۃَ وَ اَقۡرِضُوا اللّٰهَ قَرۡضًا حَسَنًا وَ مَا تُقَدِّمُوا لِاَنۡفُسِکُمۡ مِّن خَیۡرٍ تَجِدُوۡهُ عِنۡدَ اللّٰهِ هُوَ خَیۡرًا وَّ اَعۡظَمَ اَجۡرًا وَ اسۡتَغۡفِرُوا اللّٰهَ اِنَّ اللّٰهَ غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ ۝

নিশ্চয় তোমার রব জানেন যে, তুমি রাতের দুই তৃতীয়াংশের কিছু কম, অথবা অর্ধরাত অথবা রাতের এক তৃতীয়াংশ সালাতে দাঁড়িয়ে থাক এবং তোমার সাথে যারা আছে তাদের মধ্য থেকে একটি দলও। আর আল্লাহ রাত ও দিন নিরূপণ করেন। তিনি জানেন যে, তোমরা তা করতে সক্ষম হবে না। তাই তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করলেন। অতএব তোমরা কুরআন থেকে যতটুকু সহজ ততটুকু পড়। তিনি জানেন তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়বে। আর কেউ কেউ আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধানে পৃথিবীতে ভ্রমণ করবে, আর কেউ কেউ আল্লাহর পথে লড়াই করবে। অতএব তোমরা কুরআন থেকে যতটুকু সহজ ততটুকু পড়। আর সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও। আর তোমরা নিজদের জন্য মঙ্গলজনক যা কিছু অগ্রে পাঠাবে তোমরা তা আল্লাহর কাছে পাবে প্রতিদান হিসেবে উৎকৃষ্টতর ও মহত্তর রূপে। আর তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(সূরা আল-মুযযাম্মিল : ২০)

 وَ مَاۤ اُمِرُوا اِلَّا لِیَعۡبُدُوا اللّٰهَ مُخۡلِصِیۡنَ لَهُ الدِّیۡنَ حُنَفَآءَ وَ یُقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَ یُؤتُوا الزَّکٰوۃَ وَ ذٰلِکَ دِیۡنُ الۡقَیِّمَۃِ ۝

আর তাদেরকে কেবল এই নির্দেশ দেয়া হয়েছিল যে, তারা যেন আল্লাহর ‘ইবাদাত করে তাঁরই জন্য দীনকে একনিষ্ঠ করে, সালাত কায়েম করে এবং যাকাত দেয়; আর এটিই হল সঠিক দীন।(সূরা বায়্যিনাহ : ৫) 

আমারা এখানে যাকাত সম্পর্কিত আয়াত ৩৪ টি আয়াত উল্লেখ করেছি, যাকাত সম্পর্কিত আয়াত সকল আয়াতই আমরা এখানে উল্লেখ করার চেষ্টা করেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *