মুশরিক কাকে বলে? আলোচনা-আয়াত হাদিস

মুশরিক হচ্ছে তারা যারা কাউকে তার রবের সঙ্গে শরীক স্থাপন করা। মুশরিক কাকে বলে তা এক কথায় বুঝাতে গেলে, বলতে হয় :

১. যে ব্যক্তি এক আল্লাহর সাথে কাউকে অংশীদার (শিরক) সাব্যস্ত করে, সেই ব্যক্তিই মুশরিক।

২. যে ব্যক্তি বহু ঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী, তাকে মুশরিক বলা হয়।

এ পৃথিবীতে হযরত আদম (আ.) থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ বসবাস করছে। বিভিন্ন জাতি দেখুন তারা দুনিয়াতে জীবন যাপন করছে। কেউ বা মহান আল্লাহর পরিচয় লাভ করে ইহকাল ও পরকালে জান্নাতের পথ সুগম করছে। কেউ বা আল্লাহর সঙ্গে শিরক বা অংশীদার স্থাপন করে জাহান্নামের পথ বেছে নিচ্ছে। এই জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা তাদের এহেন কাজকর্ম দেখে পবিত্র কুরআনে হুশিয়ারী দিয়েছেন যে, মুশরিকদের স্থান হচ্ছে জাহান্নাম।

Table of Contents

১.মুশরিকদের সম্পর্কে কতিপয় আয়াত

اِتَّبِعْ مَاۤ اُوْحِیَ  اِلَیْكَ مِنْ رَّبِّكَ لَاۤ  اِلٰهَ  اِلَّا هُوَ وَ اَعْرِضْ عَنِ الْمُشْرِکِیْنَ ﴿۱۰۶﴾  وَلَوْ شَآءَ اللهُ مَاۤ  اَشْرَكُوْا  وَمَا جَعَلْنٰكَ عَلَیْهِمْ حَفِیْظًا وَ مَاۤ  اَنْتَ عَلَیْهِمْ  بِوَکِیْلٍ ﴿۱۰۷﴾

অর্থ: (১০৬) তুমি তার অনুসরণ কর, যা তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার প্রতি ওহী নাযিল করা হয়েছে তিনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। আর মুশরিকদের থেকে তুমি বিমুখ থাকো। (১০৭) আর যদি আল্লাহ চাইতেন তারা শিরক করতনা এবং আমি তোমাকে তাদেও উপর হিফাযতকারী বানাইনি আর তুমি তাদেও উপর তাত্ত¡াবদায়ক নও। (সূরা আনআম : ১০৬-১০৭)

২.মুশরিকদের সঙ্গে আল্লাহর কোন সম্পর্ক নেই

بَرَآءَۃٌ  مِّنَ اللّٰهِ وَ رَسُوْلِ  اِلَی الَّذِیْنَ عٰهَدْتُّمْ مِّنَ الْمُشْرِکِیْنَ ﴿۱

অর্থ: আল্লাহ ও তার রাসূলের পক্ষ থেকে সম্পর্কচ্ছেদের ঘোষণা করা হলো, সে সব মুশরিকদের থেকে, যাদের সাথে তোমরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলে। (সূরা তাওবা : ১)

৩.আল্লাহ ও নবীজী (সা.) মুশরিকদের থেকে দায়মুক্ত

وَ اَذَانٌ مِّنَ اللّٰهِ وَرَسُوْلِ  اِلَی النَّاسِ یَوْمَ الْحَجِّ الْاَكْبَرِ اَنَّ اللهَ  بَرِیْٓءٌ  مِّنَ الْمُشْرِکِیْنَ وَرَسُوْلُه فَاِنْ تُبْتُمْ فَهُوَ خَیْرٌ لَّكُمْ وَ اِنْ تَوَلَّیْتُمْ فَاعْلَمُوْۤا اَنَّكُمْ غَیْرُ مُعْجِزِی اللّٰهِ وَبَشِّرِ الَّذِیْنَ کَفَرُوْا بِعَذَابٍ اَلِیْمٍ﴿۳

অর্থ: আর মহান হজ্জের দিন মানুষের প্রতি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে ঘোষণা নিশ্চয়ই আল্লাহ মুশরিকদের থেকে দায়মুক্ত এবং তাঁর রাসূলও। অতএব যদি তোমরা তাওবা করো, তাহলে তা তোমাদের জন্য উত্তম। আর যদি তোমরা ফিরে যাও, তাহলে জেনে রাখ তোমরা আল্লাহকে অক্ষম করতে পারবেনা। আর যারা কুফুরী করেছে। তাদের তুমি যন্ত্রণাদায়ক আযাবের সুসংবাদ দাও। (সূরা তাওবা : ৩)

৪.মুশরিকরা মসজিদের খাদেম হতে পারবেনা

مَا کَانَ لِلْمُشْرِکِیْنَ اَنْ یَّعْمُرُوْا مَسٰجِدَ اللّٰهِ شٰهِدِیْنَ عَلٰۤی اَنْفُسِهِمْ بِالْكُفْرِ اُولٰٓئِكَ حَبِطَتْ اَعْمَالُهُمْ وَفِی النَّارِ هُمْ خٰلِدُوْنَ ﴿۱۷﴾

অর্থ: মুশরিকদের অধিকার নেই যে, তারা আল্লাহর মসজিদসমূহ আবাদ করবে, নিজেদের উপর কুফরির সাক্ষ্য দেয়া অবস্থায়। এদেরই আমলসমূহ বরবাদ হয়েছে, এবং জাহান্নামে হবে তাদের স্থায়ী ঠিকানা।(সূরা তাওবা : ১৭)

৫.মুশরিকদের জন্য বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করা নিষেধ

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَن أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ رضي الله عنه، بَعَثَهُ فِي الْحَجَّةِ الَّتِي أَمَّرَهُ عَلَيْهَا رَسُولُ اللهِ ﷺ ، قَبْلَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ يَوْمَ النَّحْرِ، فِي رَهْطٍ، يُؤَذِّنُ فِي النَّاسِ: أَلاَ لاَ يَحُجُّ بَعْدَ الْعَامِ مُشْرِكٌ، وَلاَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ

অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা (রা.)  থেকে বর্ণিত। বিদায় হজ্জের পূর্বে যে, হজ্বে রাসূল (সা.) আবু বকর (রা.)  কে আমীরে হজ্ব নিযুক্ত করে ছিলেন। তখন কুরবানির দিন তিনি আবু বকর (রা.)  আমাকে কিছু সংখ্যক লোকসহ এই ঘোষণা করার জন্য পাঠালেন যে, এই বছরের পর আর কোন মুশরিক হজ্ব করতে পারবেনা। এবং উলঙ্গ অস্থায়ও কেউ বাইতুল্লাহ শরীফ তাওয়াফ করতে পারবেনা। (সহীহ বুখারী : ১৫২৪)

৬.শিরক ও যাদু ধ্বংসাত্মক কাজ

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ ‏‏ اجْتَنِبُوا السَّبْعَ الْمُوبِقَاتِ‏.‏ قَالُوا يَا رَسُولَ اللّٰهِ، وَمَا هُنَّ قَالَ ‏‏ الشِّرْكُ بِاللّٰهِ، وَالسِّحْرُ.

অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা (রা.)  থেকে বর্ণিত। রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, তোমরা ধ্বংসাত্মক কাজ থেকে বেঁচে থাক। আর তা হল আল্লাহর সাথে শিরক করা এবং যাদু করা। (সহীহ বুখারী : ২৭৬৬)

৭.সাতটি ধ্বংসাত্মক বিষয়ে থেকে বেঁচে থাকা তন্মধ্যে একটি হচ্ছে শিরক

عَنْ اَبِىْ هُرَيَرْةَ رَضِىَ اللّٰهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ اجْتَنِبُوا السَّبْعَ الْمُوبِقَاتِ ‏‏.‏ قَالُوا يَا رَسُولَ اللّٰهِ وَمَا هُنَّ قَالَ  الشِّرْكُ بِاللّٰهِ وَالسِّحْرُ وَقَتْلُ النَّفْسِ الَّتِي حَرَّمَ اللّٰهُ إِلاَّ بِالْحَقِّ وَأَكْلُ الرِّبَا وَأَكْلُ مَالِ الْيَتِيمِ وَالتَّوَلِّي يَوْمَ الزَّحْفِ وَقَذْفُ الْمُحْصَنَاتِ الْمُؤْمِنَاتِ الْغَافِلاَتِ‏

অর্থ: আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ (সা.) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, সাতটি ধ্বংসকারী বিষয় থেকে তোমরা বিরত থাকবে। সাহাবীগন বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাাহ! সেগুলো কি? তিনি বললেন, ১. আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরীক করা। ২. যাদু করা ৩. আল্লাহ তাআলা যাকে হত্যা করা হারাম করেছেন, শরীয়ত সম্মত নয় এম কাউকে হত্যা করা ৪. সুদ বক্ষন করা ৫. ইয়াতিমের মাল বক্ষণ করা ৬. যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যাওয়া ৭. মুমিন নারীদের অপবাদ দেয়া। (সহীহ বুখারী : ২৭৬৬)

৮.মুশরিকরা অপবিত্র

  یاَیُّهَا الَّذِینَ اٰمَنُوا اِنَّمَا المُشرِكُونَ نَجَسٌ فَلَا یَقرَبُوا المَسجِدَ الحَرَامَ بَعدَ عَامِهِم هٰذَا

অর্থ: হে ঈমানদারগণ! নিশ্চয়ই মুশরিকরা তো অপবিত্র। সুতরাং এ বছরের পর তারা যেন মসজিদুল হারামের নিকট না আসে। (সূরা তাওবা : ২৮)

৯.মুশরিকদের সাথে যুদ্ধ করো

وَقَاتِلُوا الْمُشْرِکِیْنَ کَآفَّۃً کَمَا یُقَاتِلُوْنَكُمْ کَآفَّۃً وَ اعْلَمُوْۤا اَنَّ  اللهَ  مَعَ الْمُتَّقِیْنَ ﴿۳۶﴾

 অর্থ: আর মুশরিকদের সঙ্গে তোমরা যুদ্ধ করো সমবেতভাবে যেমন তারাও তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে যাচ্ছে সমবেতভাবে। আর মনে রেখো, আল্লাহ মুত্তাকীনদের সাথে রয়েছেন। (সূরা তাওবা : ৩৬)

মুনাফিক কাকে বলে? আলোচনা-আয়াত হাদিস

১০.মুশরিক নারীদেরকে বিবাহ করা যাবে না

وَ لَا تَنْکِحُوا الْمُشْرِکٰتِ حَتّٰی یُؤْمِنَّ وَلَاَمَۃٌ مُّؤْمِنَۃٌ خَیْرٌ مِّنْ مُّشْرِکَۃٍ  وَّ لَوْ اَعْجَبَتْكُمْ  وَ لَا تُنْکِحُوا الْمُشْرِکِیْنَ حَتّٰی یُؤْمِنُوْا وَلَعَبْدٌ مُّؤْمِنٌ خَیْرٌ مِّنْ مُّشْرِكٍ وَّ لَوْ اَعْجَبَكُمْ اُولٰٓئِكَ یَدْعُوْنَ  اِلَی النَّارِ وَاللهُ  یَدْعُوْۤا اِلَی الْجَنَّۃِ وَالْمَغْفِرَۃِ  بِاِذْنِهٖ وَیُبَیِّنُ  اٰیٰتِهٖ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ یَتَذَکَّرُوْنَ ﴿۲۲۱﴾

অর্থ: আর তোমরা মুশরেক নারীদের কে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে। অবশ্যই মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম যদিও তাদেরকে তোমাদের কাছে ভাল লাগে। এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না। যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে, একজন মুসলমান ক্রীতদাস ও একজন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল, যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও তারা দোযখের দিকে আহবান করে। আর আল্লাহ নিজের হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান করে, জান্নাত ও ক্ষমার দিকে। আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। (সূরা বাকারা : ২২১)

১১.মুশরিকদের পরিণতি

اِنَّ مَنْ یُّشْرِكْ بِاللّٰهِ فَقَدْ حَرَّمَ اللهُ عَلَیْهِ الْجَنَّۃَ وَمَاْوٰىهُ النَّارُ وَمَا لِلظَّلِمِیْنَ مِنْ اَنْصَارٍ﴿۷۲

অর্থ: নিশ্চয় যে, ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশিদার স্থীর করে আল্লাহ তার জন্যে জান্নাত হারাম করে দেন। এবং তার বাসস্থান জাহান্নামে। অত্যচারীদের কোন সাহায্যকারী নেই। (সূরা মায়েদা : ৭২)

১২.মুশরিকদের কে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না

اِنَّ اللهَ لَا یَغْفِرُ اَنْ یُّشْرَكَ بِ وَیَغْفِرُ مَا دُوْنَ ذٰلِكَ لِمَنْ یَّشَآءُ  وَمَنْ یُّشْرِكْ بِاللّٰهِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلٰلًا بَعِیْدًا ﴿۱۱۶

অর্থ: নিশ্চয় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না যে, তাঁর সাথে কাউকে শরীক করে। এছাড়া যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন। যে, আল্লাহর সাথে শরীক করে সে সুদূর ভ্রান্তিতে পতিত হয়। (সূরা নিসা : ১১৬)

১৩.মুশরিকরা জাহান্নামী

حَيْثُمَا مَرَرْتَ بِقَبْرِ مُشْرِكٍ فَبَشِّرْهُ بِالنَّارِ

অর্থ: যখন কোন মুশরিকদের কবরের নিকট দিয়ে অতিবাহিত হবে, তখন তাকে জাহান্নামের সু-সংবাদ প্রদান করো। (ইবনে মাজাহ : ১৫৭৩)

১৪.মুশরিকরা হজ্ব করতে পারবে না

أَنَ أَبَا هُرَيرَةَ رضى الله عنه قَالَ بَعَثَنِي أَبُو بَكْرٍ فِي تِلْكَ الْحَجَّةِ فِي مُؤَذِّنِينَ بَعَثَهُمْ يَوْمَ النَّحْرِ يُؤَذِّنُونَ بِمِنًى أَنْ لاَ يَحُجَّ بَعْدَ الْعَامِ مُشْرِكٌ، وَلاَ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ‏‏ قَالَ حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ثُمَّ أَرْدَفَ رَسُولُ اللّٰهِ (ص) بِعَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ وَأَمَرَهُ أَنْ يُؤَذِّنَ بِبَرَاءَةَ‏‏ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ فَأَذَّنَ مَعَنَا عَلِيٌّ يَوْمَ النَّحْرِ فِي أَهْلِ مِنًى بِبَرَاءَةَ وَأَنْ لاَ يَحُجَّ بَعْدَ الْعَامِ مُشْرِكٌ وَلاَ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ‏

অর্থ: আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) নবম হিজরীর হজ্জে আমাকে এ নির্দেশ দিয়ে পাঠিয়ে দেন যে, আমি কুরবানীর দিন ঘোষণাকারীদের সঙ্গে মিনায় (সমবেত লোকদের) এ ঘোষণা করে দেই যে, এ বছরের পর কোন মুশরিক হজ্জ করার জন্য আসবে না। আল্লাাহর ঘর উলঙ্গ অবস্থা তাওয়াফ করবে না।

হুমায়দ ইবনু আবদুর রাহমান (রাঃ) বলেনঃ রাসূল (সা.) আলী (রাঃ) কে পুনরায় এ নির্দেশ দিয়ে প্রেরণ করলেন যে, তুমি সূরায়ে বারাআতের বিধানসমূহ ঘোষণা করে দাও। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, মীনায় অবস্থানকারীদের মাঝে (কুরবানীর পর) আলী (রাঃ) আমাদের সাথে ছিলেন এবং সূরায়ে বারাআতের বিধানসমূহ ঘোষণা করলেন, এ বছরের পর কোন মুশরিক হজ্জ করার জন্য আসবে না। কেউ উলঙ্গ অবস্থায় ঘর তাওয়াফ করবে না। আবূ আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেনঃ أَذَنهم অর্থ, তাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন। (বুখারী : ৪৬৫৫)

১৫.আল্লাহর সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করা যাবে না

قُل تَعَالَوا اَتلُ مَا حَرَّمَ  رَبُّكُم عَلَیكُم  اَلا تُشرِكُوا بِه شَیئا

অর্থ: আপনি বলুন, এস, আমি তোমাদের কে ঐসব বিষয় পাঠ করে শুনাই যেগুলো তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্য হারাম করেছেন। এই যে আল্লাহর সাথে কোন কিছু কে অংশীদার করোনা। (সূরা আনয়াম : ১৫১)

১৬.আল্লাহর একমাত্র ইবাদত করতে হবে

وَاعْبُدُوا اللهَ وَلَا تُشْرِكُوْا بِه شَیْئًا

অর্থ: আর ইবাদত করো আল্লাহর এবং অপর কাউকে তাঁর সঙ্গে শরীক করো না। (সূরা নিসা : ৩৬)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *