দুই রাকাত নামাজের ৬০টি মাসআলা

ইসলামের নামাজ হলো সবচে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত, তাই নামাজ সহীহ ভাবে আদায় করার জন্য নামাজের মাসআলা জানা জরুরী, নিম্নে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে ইনশাআল্লাহ।

দুই রাকাত নামাজের ৬০টি মাসআলা আমরা নূরানী পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা বই থেকে তুলে ধরলাম। আশা করবো আপনাদের উপকারে আসবে। নামাজের মাসআলা সমূহ ৬টি আলাদা ভাগে সাজানো আছে।

নামাযের প্রথম রাকাতে রুকুর আগে ১১টি মাসআলা

১। হাত উঠন ———-সুন্নত।

২। তাকবীরে তাহরীমা (اللّٰهُ أَكْبَر‎) বলা ———-ফরজ।

৩। হাত বাঁধা (মেয়েদের জন্য হাত রাখা) ———-সুন্নত।

৪। ছানা পড়া ———-সুন্নত।

৫। আউযুবিল্লাহ পড়া ———-সুন্নত।

৬। বিসমিল্লাহ পড়া ———-সুন্নত।

৭। সূরায়ে ফাতিহা পুরা পড়া ———-ওয়াজিব

8। সূরায়ে ফাতিহার পর (آمين) বলা ———-সুন্নত

৯। সূরার শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়া ———-মুস্তাহাব

১০। সূরা মিলান———-ওয়াজিব

১১। কেরাত পড়া———-ফরয

রুকুতে ৬টি মাসআলা

১। রুকুতে যাইবার সময় (اللّٰهُ أَكْبَر‎) বলা ———-সুন্নত

২। রুকু করা ———-ফরয

৩। কুরুতে দেরী করা ———-ওয়াজিব

৪। রুকুতে থাকিয়া سُبْهانَ رَبِّيَلْ الْعَضِيْمِ কমপক্ষে ৩ বার বলা ———-সুন্নত.

(৫ বার ৭ বার বলাও)———-সুন্নত

৫। রুকু হইতে উঠিবার সময় سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَه رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ বলা ———-সুন্নত

৬। রুকু হতে সোজা হয়ে খাড়া হয়ে দেরী করা ———-ওয়াজিব

(খাড়া হয়ে حَمْـداً كَثـيراً طَيِّـباً مُبـارَكاً فيه পড়া)

প্রথম সাজদাতে ৬টি মাসআলা

১। সাজতাদে যাইবার সময় اللّٰهُ أَكْبَر‎ বলা ———-সুন্নত

২। সাজদা করা ———-ফরয

৩। সাজদাতে দেরী করা ———-ওয়াজিব

৪। সাজদাতে থাকিয়া سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأعْلَى কমপক্ষে ৩ বার বলা ———-সুন্নত

(৫ বার ৭ বার বলা) ———-সুন্নত

৫। সাজদা হতে উঠিবার সময় اللّٰهُ أَكْبَر‎ বলা ———-সুন্নত

৬ সাজদা হতে সোজা হয়ে বসিয়া দেরী করা ———-ওয়াজিব

(বসিয়া اللَّهُمَّ اغْفِرِ لِي وَارْحَمْنِي وَاهْدِنِي وَعَافِنِي وَارْزُقْنِي পড়া)

নামাজ ভঙ্গের কারণসমূহ

দ্বিতীয় সাজদাতে ৬টি মাসআলা

১ হতে ৫ পর্যন্ত প্রথম সাজদার মত

৬। সাজদা হতে সোজা হয়ে খাড়া হওয়া ———-ওয়াজিব

দ্বিতীয় রাকাতে রুকুর আগে ৭টি মাসআলা

১। হাত বাঁধা সুন্নাত———-সুন্নত

২। বিসমিল্লাহ পড়া ———-সুন্নত

৩। সূরায়ে ফাতিহা পুরা পড়া ———-ওয়াজিব

৪। সুরায়ে ফাতিহার পর (آمين) বলা ———-সুন্নত

৫। সূরার শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়া ———-মুস্তাহাব

৬। সূরা মিলান ———-ওয়াজিব

৭। কেরাত পড়া ———-ফরয

(দ্বিতীয় রাকাতের রুকু ও সেজদার মাসআলা প্রথম রাকাতের ন্যায়)

আখেরী বৈঠকে ৫টি মাসআলা

১। আখেরী বৈঠক———-ফরয

২। আত্তাহিয়্যাতু পড়া ———-ওয়াজিব

৩। দরূদ শরীফ পড়া ———-সুন্নত

৪। দু’আয়ে মাসুরা পড়া ———-সুন্নত

৫। আস্সালামু আলাইকুম বলিয়া নামায শেষ করা ———-ওয়াজিব

দিঃ দ্রঃ ফরয নামায দাঁড়াইয়া পড়া পরয।

তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতের রুকু ও সেজদার মাস্আলা প্রথম রাকাতের ন্যায়। কিন্তু ফরয নামাযের তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতে রুকুর আগে চারটি (৪টি) মাসআলা।

১। হাত বাঁধা———-সুন্নত

২। বিসমিল্লাহ পড়া ———-সুন্নত

৩। সুরায়ে ফাতিহা পুরা পড়া ———-সুন্নত

৪। সূরায়ে ফাতিহার পর আমীন বলা ———-সুন্নত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *