রোজা ২০২৪, সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি

আসছে মাহে রমজান (রোজা ২০২৪), রোজা ইসলামের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাতের একটি যেমন পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলে:- হে মুমিনগণ, তোমাদের উপর সিয়াম ফরয করা হয়েছে, যেভাবে ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করো।

রোজা কত তারিখ ২০২৪

১২ মার্চ ২০২৪ তারিখ হতে 10 এপ্রিল ২০২৪ পর্যন্ত, ধর্মপ্রাণ মুসলামদের রোজা রাখতে হবে।

বা বাংলা ফাল্গুন মাসের ২৮ তারিখ।

বিঃদ্র: ইসলামে রোজা চাঁদ দেখার উপর নির্ভশীল।

রোজা ভঙ্গের কারন

রোজা সম্পর্কে কুরআনের আয়াত আরবি

শাবান মাসের দোয়া

রাসূল (সা) রজব ও শাবান মাসে এই দোয়া পড়তেন:-

اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي رَجَبٍ، وَشَعْبَانَ، وَبَلِّغْنَا رَمَضَانَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী রাজাবা ওয়া শাবান ও বাল্লিগনা রামাদান।
অর্থ: হে আল্লাহ তুমি রজব ও শাবানে আমাদেরকে বরকত দাও। আর আমাদেরকে রামাযান পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দাও। (মুসনাদ আহমাদ ১/২৫৯, হিলইয়াতুল আওলিয়া, তবাকাতুল আছফিয়া)

সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৪

ইসলামিক ফাউন্ডেশন, সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি (ঢাকা জেলার জন্য প্রযোজ্য)

নাদিয়া কায়দা : Nadia Kaida

নাদিয়া আমপারা : Nadiya Ampara

নূরানী পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা

রোযার মাসআলা

১। মাসআলাঃ রমযান শরীফের রোযা পাগল ও না-বালেগ ব্যতীত (স্ত্রী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র, অন্ধ, বধির, শ্রমিক) সকলের উপর ফরয। শরীঅতে বর্ণিত ওযর ব্যতীত রমযান শরীফের রোযা না রাখা কারও জন্য উচিৎ নয়। যদি কেউ রোযার মান্নত মানে, তবে সে রোযাও তার উপর ফরয হয়ে যায়, ক্বাযা ও কাফ্ফারার রোযাও ফরয। এতদ্ব্যতীত অন্য যত রোযা, তা নফল। নফল রোযা রাখালে সওয়াব আছে, কিন্তু না রাখলে গোনাহ্ নাই। দুই ঈদের দুই দিন এবং বড় ঈদের পরে তিন দিন এই পাঁচ দিন রোযা রাখা হারাম।

২। মাসআলাঃ ছোবহে ছাদেক হতে সূর্যাস্ত রোযার নিয়্যতে পানাহার ও সহবাস হতে বিরত থাকাকে শরীয়তের ভাষায় ‘রোযা’ বলে।

৩। মাসআলাঃ রোযার জন্য যেমন পানাহার পরিত্যাগ করা ফরয, তেমনই নিয়্যত করাও ফরয; কিন্তু নিয়্যত মুখে পড়া ফরয নয়, শুধু যদি মনে মনে চিন্তা করে সঙ্কল্প করে যে, আমি আজ আল্লাহর নামে রোযা রাখবো এবং কিছু পানাহার বা স্ত্রী সহবাস করবো না, তবে তাতেই রোযা হয়ে যাবে। কিন্তু যদি কেউ মনের চিন্তা এবং সঙ্কল্পের সঙ্গে মুখে ও বাংলায় বা আরবীতে নিয়্যত পড়ে যে, ‘আমি আল্লাহ্র নামে রোযা রাখার নিয়্যত করিতেছি’ তবে তাতেও হবে।

৪। মাসআলাঃ যদি কেউ সারা দিন কিছু পানাহার না করে, হয়ত ক্ষুধাই লাগে নাই, বা অন্য কোন কারণে খাওয়ার সুযোগ হয় নাই, তাহার রোযা হবে না; অবশ্য যদি রোযা রাখার ধারণা হয়, তবে রোযা হয়ে যাবে।

৫। মাসআলা: শরীঅত অনুসারে ছোবহে ছাদেক হতে রোযা শুরু হয়, কাজেই ছোবহে ছাদেক না হওয়া পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী সহবাস ইত্যাদি সব জায়েয আছে। অনেকে শেষরাত্রে সেহরী খাওয়ার পর এবং রোযার নিয়্যত করার পর রাত্রি থাকা সত্ত্বেও কিছু খাওয়া দাওয়া বা স্ত্রী সহবাস করাকে না-জায়েয মনে করে, তা ভুল। ছোবহে ছাদেক হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সব জায়েয আছে, নিয়্যত করুক বা না করুক। তবে ছোবহে ছাদেক হয়ে যাওয়ার ব্যপারে সন্দেহ হলে এইসব না করাই উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *